দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের গভীর পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তিশালী সামরিক অভিযান শুরু করবে।
সোমবার ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েলভকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা সফল না হলে "আমরা আবারও খুব শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপে ফিরে যাব।"
তিনি বলেন, আলোচনার সুযোগ খুবই সীমিত এবং দ্রুত অগ্রগতি হতে হবে। "এটি দ্রুত এগোতে হবে, নইলে আর এগোবে না।"
ট্রাম্প জানান, আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে তিনি গত শুক্রবার ইরানে হামলা স্থগিত করেছিলেন। তার ভাষ্য, ইরান নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই তাকে হামলা না চালানোর অনুরোধ জানিয়েছিল। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো লাভ বা ক্ষতি হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্পের এ মন্তব্য এলো। বৈঠকে ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প বলেন, "আমি নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়েও কথা বলব যে, আমি যদি প্রেসিডেন্ট না হতাম, তাহলে এত দিনে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয়ে যেত এবং ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেত।"
সম্প্রতি দুই সপ্তাহের টানা সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র হামলা স্থগিত করে। এ সময় মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা অস্ত্রভান্ডারের চাপ ও সম্ভাব্য পরিণতির কথা বিবেচনা করে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
তবে গোলাবারুদের ঘাটতির আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনেক বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে এবং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি মজুত আছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ রোববার বলেন, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য কিছুটা সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা এগিয়ে চলছে।
গত এপ্রিল পাকিস্তরের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। পরে জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়, যাতে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসান এবং পরবর্তী আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়।
তবে চলতি মাসের শুরুতে হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল নিয়ে মতবিরোধের জেরে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। সংঘাত চলাকালে ইরান কার্যত প্রণালিটির নৌপথ বন্ধ করে দিয়েছিল।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
যে আই